জ্বালানি সংকট কাটাতে লাগতে পারে দুই বছর: অর্থমন্ত্রী


hudhudbd.com
বাংলা চ্যানেল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট, ২০২৬

বিকল্প অর্থায়নের উৎস খুঁজছে সরকার
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর মতে, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট কাটাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে।
রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যা ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনালসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতেই প্রায় দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগতে পারে। ফলে জ্বালানি সংকটের তাৎক্ষণিক সমাধানের সুযোগ সীমিত।
তিনি জানান, সংকট মোকাবিলায় সরকার বিকল্প অর্থায়নের উৎস খুঁজছে। একই সঙ্গে দেশের অর্থায়ন কাঠামোকে ব্যাংকনির্ভরতা থেকে বের করে পুঁজিবাজারমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে মূলত ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল। অথচ ব্যাংকের আমানত সাধারণত স্বল্পমেয়াদি হলেও সেখান থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়া হয়। বড় বিনিয়োগের জন্য পুঁজিবাজারভিত্তিক অর্থায়ন আরও কার্যকর হতে পারে।
তিনি আরও জানান, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের পাশাপাশি নতুন অর্থায়নের উৎসও খোঁজা হচ্ছে। দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি। জেপি মরগান, গোল্ডম্যান স্যাকসসহ কয়েকটি বড় বিদেশি ফান্ড ম্যানেজার বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে তিনি ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক বাধা কমানো, বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সহজ করা এবং করব্যবস্থা অটোমেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, এসব সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্নীতি কমানো ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব হবে।
অ্যামচেম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ও উদীয়মান বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ জন্য নীতিগত সংস্কারের ধারাবাহিক ও কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি।

শেয়ার করুন

Facebook Twitter Whatsapp

বিজ্ঞাপন
ফেসবুকে বাংলা চ্যানেল
এ সম্পর্কিত আরও খবর

নিউজ কর্নার